অনুরণন

লাভ স্টোরি (পর্বঃ ৫ম)

দিলরুবা হাসান পামিঃ ঘড়িতে ৯টা বাজছে।প্রতিদিনের মত সাইরা আজও সে এই টাইমে অফিসে আসে।গাড়ীর ভাড়া মিটিয়ে সে অফিসের মেইন গেটে প্রবেশ করে।প্রবেশ পর সে দেখতে পাচ্ছে কিছু লোক কোম্পানির বাইরে দাড়িয়ে আছে।সাইরার তাদের পোশাক, ব্যবহার দেখে মনে হচ্ছে না যে তারা এই কোম্পানির লোক। তাদের আচরণ তার কাছে যথেষ্ট সন্দেহজনক মনে হচ্ছে।সে কিছু করার আগেই তাদের একজন তাকে বললে,
লোকদের বসঃ Hy, u come here.
সাইরা তাদের কাছে যায়।লোকটি তাকে বললে,
লোকদের বসঃ এই কোম্পানি মালিক যিনি তার personal assistant তুমি তাই তো?
এদের আচরণে আমি ১০০% sure এরা ভাল লোক নয়।আমাকে সাবধানে থাকতে হবে।Patience হলে চলবে না।Cool down সাইরা।বস তখন না আসছেন ততক্ষন এদের busy রাখতে হবে।(মনে মনে সাইরা বলছে)সাইরা তার হাতে থাকা ঘড়ি দিকে তাকায়।Oh yes বসের আসার সময় হয়ে গেছে।বাছারা বস আসলে বুঝবে মজা কাকে বলে
সাইরাঃকি বলছেন স্যার, আমি আর এই কোম্পানির? মোটেও না।আপনারা ভুল ভাবছেন।
লোকদের বসঃএই মেয়ে, চালাকি করার চেষ্টা করবে না তো,আপনারা জানি তোমার আসল পরিচয়।বেশী চালাকি করবে তো এটা মেরে দিব।এটা নিশ্চয়ই চিনতে পারছ কি? এটা হচ্ছে উপরে পাঠানোর ফ্রি টিকিট।সে উচ্চস্বরে হাসছে।তাকে হাসতে দেখে তার সাথে থাকা লোকগুলোও হাসতে শুরু করে।
সাইরাকে পিস্তলের ভয় দেখায় সে।
সাইরার মনে হচ্ছে এই লোকটাই এদের বস(লোকগুলো) ।লোকটি সাইরাকে বলল,
লোকদের বসঃএই মেয়ে বেশি কথা বলবে না তো। চুপচাপ নিচে বসবে।এই মেয়ে বসতে বলছি না? বস তাড়াতাড়ি (ধমক দিয়ে বলে সে)।
সাইরা তার কথা মত তাই করে। একবার নিলয় স্যারকে আসতে দাও।তারপর বুঝবে তোমরা সবাই আমাকে এভাবে রাস্তায় বসানোর মজা নিলয় স্যার কোথায় আপনি?প্লিজ আল্লাহ মালিক ওনাকে তাড়াতাড়ি পাঠিয়ে দাও।প্লিজ।মনে মনে সে বলছে।
সেসময় সাইরা নিলয়কে তার সামনে দাড়ানো অবস্থায় দেখতে পায়।নিলয় সাথে তার Bodyguards ছিল।
নিলয় সাইরার হাত ধরে তাকে নিচে থেকে উঠিয়ে সে তার লোকজনদের বলে,
নিলয়ঃ আমার কোম্পানির চারপাশে অনেক ময়লা জমেছে দেখছি আজ।তাড়াতাড়ি পরিষ্কার কর Fast.
সাইরা কান্নার ভ্যান করে নিলয়কে বলে,
সাইরাঃবস আমার খুব ভয় লাগছে। আমাকে এখান থেকে নিয়ে চলুন বস।প্লিজ বস,প্লিজ
সাইরার চোখে থেকে পানি পড়ছে।
নিলয়ঃBaby cool down.আমি তো আছি, তোমার কোন ভয় নেই।
সাইরাঃপ্লিজ বস,প্লিজ।
নিলয়ঃokay,okay.চল আমার সাথে।
নিলয় সাইরার হাতে ধরে তাকে নিয়ে কোম্পানির ভিতরে প্রবেশ করে।
ভিতরে প্রবেশের পর সাইরা হাসতে শুরু করে।
তা দেখে নিলয় বুঝতে পারল যে, সাইরা এতক্ষন যা করেছে সবটা ছিল আসলে তার অভিনয়।এই মেয়েটা পারেও (নিলয় মনে মনে বলছে)
সে সাইরাকে বলে,
,
নিলয়ঃOh My God.সাইরা, my baby এত ভাল অভিনয় করতে জানে!আমি তো বুঝতেই পারি নি।
নিলয় এখন seriousহয়ে সাইরাকে বলে,
নিলয়ঃ তুমি কেন তাদেরকে দেখার পর সেখান থেকে পালালে না?সাইরাঃআমি প্রথমদিকে ভেবে ছিলাম এরা এই কোম্পানির অন্য কোন department এর লোক।কিন্তু যখন তাদের ভালভাবে দেখি তখন আমি বুঝে যাই বিষয়টা আসলে কি?আর আমি ভালভাবে জানি যে, যদি পালানোর চেষ্টা করি তাহলে আমার survive করার Chance খুব কম।কেননা তারা গুলি করে মারবে আমাকে । আর সেটা বুঝতে পেরেছি বলেই আমি পালানোর পরিবর্তে আমি তাদের কাছে ইচ্ছাকৃতভাবে ধরা দেই।যাতে কিছুটা সময় পাওয়া যায়।আর আমিতো জানি আপনি কখন কোম্পানিতে আসেন?আর আমি এটাও জানি যে আপনার সাথে সবসময় Body Guards থাকে।আমি তাই আপনার মানে আপনাদের না আসার পর্যন্ত তাদেরকে busy রাখতে হবে ভেবে তাদের সাথে কথা বলে time pass করতে থাকি।আমি জানি ততক্ষণে আপনি এসে যাবেন।
মুচকি হেসে নিলয় বলছে,

মুচকি হেসে নিলয় বলছে,
নিলয়ঃOh really baby, তুমি আমার জন্য অপেক্ষা করেছ?
সাইরাঃ কে আপনার জন্য অপেক্ষা করেছে?
নিলয় সাইরার Facial expression দেখে হাসছে ।
সাইরাঃAh,ok fine.আমিই করেছি।আমি তো বিপদে পড়েছি তাই আমাকে বাধ্য হয়ে করতে হয়েছে।খুব শান্ত গলায় সাইরা তা বলে।
তোমাকে যত দেখছি তত অবাক হচ্ছি। very interesting। মনে মনে এসব ভেবে নিলয় হাসছে।
সে সময় জনির Entry হল।সে সব দেখেছে। সে হেসে বলে,
জনিঃবসকে এই young lady বোকা বানাল এভাবে আজ প্রথম বসকে কেউ বোকা বানাতে পেয়েছে।
নিলয়ঃজনি বেশি কথা না বলে তুমি তোমার কাজ কর।না হলে তোমার সব salary কেটে নিব,বুঝলে তুমি?
জনি হেসে বলে,
জনিঃ yes boss. আমি বুঝতে পেরেছি ভালভাবে।আমি কাজে যাচ্ছি। আপনারা আপনাদের কাজ continue রাখেন।সাইরার দিকে তাকিয়ে সে এটা করে। তারপর সে হাসতে হাসতে রুম থেকে বের হয়ে যায়।
জনি স্যার রুম থেকে বের হওয়া সময় এটা কি বলেন?কেন বললেন?সাইরা ভাবছে।
নিলয়ঃ oh babyকি ভাবছ?
সাইরাঃআমি কাজে যাচ্ছি বস।
এই বলে সাইরা নিলয়ের কেবিন থেকে বের হয়ে যায়।সাইরা এখন বেশী ভাগ সময় অফিসের কাজের busy, না হলে নিলয়ের বাসার কাজে busy।নিলয় এখন তাকে দিয়ে বাসাও কাজ করাছে।তার নিজেকে মাঝে মাঝে office staff কম নিলয়ের housemaid বেশি মনে হয়। সকাল ৭থেকে তার duty শুরু হয় আর শেষ হয় রাত ১০টা।
আহারে বেচারী এত পরিশ্রম করছে।তার মা তাকে দেখেন আর এসব ভাবেন।
এভাবে কেটে যায় ৩ মাস।একদিন নিলয়ে সাইরাকে নিয়ে শহরের সব থেকে বড় শপিংমলে যায়।সাইরা ভাবে যে, devil আজ shopping করবে। কিন্তু সে জানে না আজ devil সাইরার পকেট খালি করতে তাকে নিয়ে এসেছে এখানে।শপিংমল প্রবেশ করে সে সাইরাকে নিয়ে সে Ladies shop এর যায়।একজন selle’s girl এগিয়ে আসেন তাদের welcome জানাতে।নিলয় বলে মেয়েটিকে,
নিলয়ঃআপনাদের shop এ সব থেকে best dresses আছে যেগুলো,সেগুলোই দেখাবেন আমাদেরকে।আর হ্যাঁ টাকার কোন সমস্যা নেই। কি বল সাইরা baby�
নিলয়ের কথা মত মেয়েটি shopএর সব থেকে দামী dresses দেখাতে শুরু করে।নিলয় একে সব ভালভাবে দেখতে শুরু করে।তারপর সে সব থেকে দামী দুটো dress select করে সাইরা জন্য।

নিলয়ের মুখে এখন devil এর হাসি।সে সাইরার হাতে সেগুলো দিয়ে বললে,
নিলয়ঃenjoy baby
সাইরা এখন আর বুঝতে কিছুই বাকি নেই।
সাইরাঃYou are a really devil.
নিলয়ঃআমি জানি তো baby সেটা আমি।
তাদের কথা মাঝে sell’s girl বললেন,
মেয়েটিঃSir case না card?
নিলয় তা চোখের ইশারায় সাইরাকে দেখিয়ে দিল মেয়েটিকে।
মেয়েটিঃম্যাম?
সাইরাঃআমি বুঝতে পেরেছি। আপনাকে আর কষ্ট করে বলতে হবে না।আমি card এ করব।
Devil man একটা।Devil man এর জন্য আমার সারামাসের savings আজ শেষ।ইচ্ছে হচ্ছে এক্ষুনি তাকে খুন করে ফেলতে। Devil man একটা।দেখ কিভাবে হাসছে।
নিলয়ঃBaby i am very Hungry.চল আমরা রেস্টুরেন্ট যাই।আজ তোমাকে আমার favourite restaurant এ খাওয়াব।কেমন
সাইরাকে নিয়ে নিলয় তার favourite restaurant এর খেতে যায়।সাইরাকে দেখছে আর মুচকি মুচকি সে হাসছে।সে সাইরাকে বলে,
নিলয়ঃকি খাবে Baby?
সাইরাঃআমি কিছুই খাব না।আমার ক্ষুধা নেই।আর আমি বাইরের খাবার খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছি অনেকদিন আগে।
নিলয়ঃOh my God,baby তুমি ডায়েট করছ?