হুতুমপেঁচা বলছি

এই যে Coronavirus timeএ বাংলাদেশসহ worldএ domestic violence বাড়ছে, এটার পিছনে core reason কি বলে মনে হয় তোমার?

– “আচ্ছা, এই যে Coronavirus timeএ বাংলাদেশসহ worldএ domestic violence বাড়ছে, এটার পিছনে core reason কি বলে মনে হয় তোমার?”

– “Core reason আমার মনে হয় খুবই সাধারন। এটা আসলে নতুন কিছু না। এটা যে আছে, লকডাউন ব্যাপারটা শুধুমাত্র সেটা দেখার সুযোগ করে দিছে। স্ট্রেসকে কারন হিসেবে দাড়া করানো যায়। কিন্তু ব্যাপারটা মুলত স্ট্রেস না। যারা মারধর বকাবাজি করছে তারা আগেও করেছে হয়ত করার সুযোগ কম পেয়েছে। এখন এইগুলা করার সুযোগ বেশি। ঘরে থাকছে কাজ নাই অন্য কিছু করার সুযোগ কম। পুরুষত্ব দেখানোর সুযোগ এখন মেয়েদের মারধর, ঝগড়া।

ভায়োলেন্স মুলত সোশ্যাল এবং একই সাথে মানুষের জীব হিসেবে বিবর্তনের সাথে জড়িত একটা বিষয়। সামাজিক ব্যাপারটা নিয়ে সবাই আলোচনা করলেও বিবর্তনের ব্যাপারটা নিয়ে পিওর কিছু একাডেমিয়ান ছাড়া তেমন আলোচিত হয় না। ব্যাপারটার দায় নারী পুরুষ উভয়ের।”

– “কিভাবে?”

– “যেভাবে মেট সিলেকশন হয়, এটা ভায়োলেন্স বাড়ায়।”

– “Mate selection!”

– “হুম। Women tend to select violent male as partner.”

– “And why is that?”

– “Because of Evolutionary advantage. Violent males are more able to protect them in fight.”

– “কিন্তু আমাদের দেশে তো মেয়েদের partner choosing এর সুযোগ কম, অধিকাংশ ক্ষেত্রে parents choose করে?”

– “দেখ ব্যাপারটা ব্যক্তি স্বাধীনতার না। বিবর্তন এইসব দেখে নাই। ব্যক্তি করুক আর সমাজ দিয়ে করাক, সুবিধা যে দিছে ওইটাই হয়। সমাজের কোন ব্রেন নাই। আমাদের সবার মগজ দিয়েই সমাজের বুদ্ধিমত্তা।

তুমি মাইর খেতে না চাইলে কি হবে। তোমার বাচ্চার বাবা মারদাংগা না হলে বাচ্চা বেচে থাকবে না, এটা তোমার জিনে প্রিন্ট হওয়া। এটা সহজে মুছবে না। তুমি না চাইলেও সমাজ তোমকে বুঝাবে… force করবে।”

– “Non-violent ছেলে কি নাই তাহলে?? তাদের কি পরিণতি হয়??”

– “Still they are less successful as male…metro sexuality, মেয়েলি পুরুষ, কোমলতা এইগুলা এখনো less desirable in men. কষায় একটা হেল্পার বা রিকশাওয়ালা কে থাপ্পর না দিতে পারলে এখনো অনেক মেয়ে পুরুষ মনে করবে না।”

– “এই mentality থেকে পরিত্রাণের কি কোনো way নাই?”

– “শিক্ষা, আইন দিয়ে কিছুটা কমানো যাবে। জীব হিসেবে বেচে থাকার জন্য ভায়োলেন্স দরকার নাই, এটা যদি বুঝতে পারি এবং সত্যি যদি তাই হয় একসময় হয়তো কমে যাবে। যদিও এমন কিছু হবে না। তবে সামাজিক বিবর্তন আমাদের জিনগত পরিবর্তন আনতে পারে। অনেক সময় লাগবে।”

উপরের কথোপথনটি দুটি মানুষের মাঝে বর্তমান সমাজে বেড়ে চলা domestic violence নিয়ে, যা একান্তই তাদের ব্যক্তিগত মতামত। কেউ এতে দ্বিমত পোষণ করতেই পারেন। কিন্তু এখানে চিন্তা করার মতো অনেক খোরাক আছে, সেটা স্বীকার করতেই হবে, কি বলেন?

লিখেছেনঃ ডিশটিং মৌরী