মুক্তধারা

বঙ্গবন্ধু ইতিহাসের মহানায়ক (পর্বঃ৩)

আতাউল হাকিম আরিফঃ ২৬শে সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে জারিকৃত মৌলিক মানবাধিকার বিরোধী এই অধ্যাদেশটি সংবিধানের ৯২(২) অনুচ্ছেদের মর্ম মোতাবেক সংসদে অনুমোদন না নেওয়ায় এর স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে।কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে মরহুম জেনারেল জিয়াউর রহমানের অবৈধ শাসনকালে ২৩ এপ্রিল -১৯৭৭ সালে সামরিক সামরিক ফরমান বলে এই মৃত অধ্যাদেশটিকে সচল করে,এরপর ৬ই এপ্রিল ১৯৭৯ খ্রীঃ পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে কুখ্যাত বেআইনি অধ্যাদেশটি চতুর্থ তপশিলে ৩ ক এবং ১৮ অনিচ্ছেদে সংযোজন করে জাতীয় সংবিধানকে কলঙ্কিত করে।পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে একই বৎসর ১২ নভেম্বর ৭ম জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ রহিত করে সংবিধানকে কলঙ্কমুক্ত করার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের পথ তরান্বিত করেন।১৯৭৫, ১৫ আগষ্ট ট্রাজেডির পর ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বিকৃত করে সমস্ত মূল্যবোধকে পদদলিত করে উল্টোমুখী যাত্রায় ধাবিত করেছিলো পাকিস্তানের দোসর শাসকগোষ্ঠী।রাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ পদে আসীন হয়েছিলো রাজাকার, আলশামস,আল বদর।একদিকে শ্রেণী বৈষম্যের বিকাশ ঘটিয়ে ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়েছে অন্যদিকে সংবিধান থেকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে সেক্যুলার রাজনৈতিক দর্শন।তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী মুখে জোট নিরেপক্ষতার কথা বললেও প্রতিক্রিয়াশীল আন্তর্জাতিক চক্রের সাথে মেলবন্ধন দৃঢ় করেছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সামরিক শাসনকালে সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রীয় সম্পদের মাত্র ১৫ % এর নিয়ন্ত্রণ নিতে পেরেছে। দরিদ্রতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাষ্ট্রের কাঠামো অনেকটা ধ্বংসের দিকে যাচ্ছিল ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশের অর্থনীতির চাকা সচল করার পাশাপাশি আইনের শাসন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত করেছে, কিন্তু ২০০১ সালে জামায়াত বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় এসে দেশকে আবারও হেলে গভীর ষড়যন্ত্রের কিনারে।খুব জননেত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে ২০০৮ সালে পুনরায় ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশ একটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের দোড়গোড়ায় নিয়ে যায় তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

২৬শে সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে জারিকৃত মৌলিক মানবাধিকার বিরোধী এই অধ্যাদেশটি সংবিধানের ৯২(২) অনুচ্ছেদের মর্ম মোতাবেক সংসদে অনুমোদন না নেওয়ায় এর স্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে।কিন্তু কোন এক অদৃশ্য কারণে মরহুম জেনারেল জিয়াউর রহমানের অবৈধ শাসনকালে ২৩ এপ্রিল -১৯৭৭ সালে সামরিক সামরিক ফরমান বলে এই মৃত অধ্যাদেশটিকে সচল করে,এরপর ৬ই এপ্রিল ১৯৭৯ খ্রীঃ পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে কুখ্যাত বেআইনি অধ্যাদেশটি চতুর্থ তপশিলে ৩ ক এবং ১৮ অনিচ্ছেদে সংযোজন করে জাতীয় সংবিধানকে কলঙ্কিত করে।পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসে একই বৎসর ১২ নভেম্বর ৭ম জাতীয় সংসদে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ রহিত করে সংবিধানকে কলঙ্কমুক্ত করার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচারের পথ তরান্বিত করেন।১৯৭৫, ১৫ আগষ্ট ট্রাজেডির পর ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস বিকৃত করে সমস্ত মূল্যবোধকে পদদলিত করে উল্টোমুখী যাত্রায় ধাবিত করেছিলো পাকিস্তানের দোসর শাসকগোষ্ঠী।রাষ্ট্রের মর্যাদাপূর্ণ পদে আসীন হয়েছিলো রাজাকার, আলশামস,আল বদর।একদিকে শ্রেণী বৈষম্যের বিকাশ ঘটিয়ে ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়েছে অন্যদিকে সংবিধান থেকে নির্বাসনে পাঠিয়েছে সেক্যুলার রাজনৈতিক দর্শন।তৎকালীন শাসকগোষ্ঠী মুখে জোট নিরেপক্ষতার কথা বললেও প্রতিক্রিয়াশীল আন্তর্জাতিক চক্রের সাথে মেলবন্ধন দৃঢ় করেছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সামরিক শাসনকালে সাধারণ মানুষ রাষ্ট্রীয় সম্পদের মাত্র ১৫ % এর নিয়ন্ত্রণ নিতে পেরেছে। দরিদ্রতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাষ্ট্রের কাঠামো অনেকটা ধ্বংসের দিকে যাচ্ছিল ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা দেশের অর্থনীতির চাকা সচল করার পাশাপাশি আইনের শাসন বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ব্যাপক পরিবর্তন সূচিত করেছে, কিন্তু ২০০১ সালে জামায়াত বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় এসে দেশকে আবারও হেলে গভীর ষড়যন্ত্রের কিনারে।খুব জননেত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে ২০০৮ সালে পুনরায় ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশ একটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রায় একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্রের দোড়গোড়ায় নিয়ে যায় তাতে কোনো সন্দেহ নেই।