অনুরণন

লাভ স্টোরি (পর্ব ৪)

Devil এর হাতের just 1tsp coffee আমার কাছে poison লাগছে।আরোও বেশী করে লবণ দাও।৫/৬চা চামচ তো কম হয়েছে সাইরা।Devil কে ছাড়ব না, কিছুতেই না।😈😈😠😠মনে মনে এসব বলছে সাইরা।
নিলয়ঃoh baby কি ভাবছ? আমি তোমাকে এত ভালবেসে খাওয়াছি।আর তুমি খাচ্ছে না,কেন বল তো?by the way আমার হাতগুলো আজ খুব পেইন করছে সাইরা। সাইরার হাতে কফির কাপ ধরিয়ে দিয়ে সে সোফায় গিয়ে বসে। পায়ে উপর পা তুলে সে এখন বসে আসছে।come here baby🤣🤣😂 আমার হাতগুলো ভীষণ পেইন করছে।টিপে দাও,তাড়াতাড়ি কর সাইরা।
সাইরাঃhy u, i am ur P.A.I am not ur servant or..
নিলয়ঃ or!কি সাইরা?কথা complete করবে তো।
সাইরাঃসেটা আপনার না জানলেনও হবে। আমি পারব না, পারব না।
বলে সে রেগে নিলয়ের কেবিন থেকে বের হয়ে যায়।নিলয় তা দেখে হাসতে থাকে।সে হেসে বলে,
নিলয়ঃvery interesting 😊😊
আসব বস?জনি সে সময় নিলয়ের কেবিনে আসে।সে নিলয়ের এই রূপ দেখে তো খুবই অবাক।এত বছর ধরে কাজ করছে সে তার সাথে। কিন্তু কখনও নিলয়কে এভাবে হাসতে দেখে নি সে।আজ প্রথম নিলয়কে হাসতে দেখছে জনি।
জনিঃ বস আপনি ঠিক আছেন তো?শরীর খারাপ করে নি তো?বলুন না বস? ডাক্তারকে কল করব?
নিলয়ঃআরে কি বলছ এসব জনি?আমি ঠিক আছি, আমার কিছুই হয় নি।তোমার কি কোন important কাজ ছিল?
জনিঃহ্যা বস।
তারপর তারা অফিসিয়াল কাজে মন দেয়।কিছুদিন পর অফিসে একটা problemএর সৃষ্টি হয়।Actually নিলয়ের কেবিন থেকে কিছু important documents ছুরি হয়েছে।যা তার Business Rivals এর হাতে চলে গেলে তার কোম্পানিকে অনেক বড় ধরণের ক্ষতির সম্মুখীন
হতে হবে।সবাই সাইরাকে সন্দেহ করছে ।কেননা একে তো সে নতুন। তার উপর নিলয়ের সাথে তার দা-কুমড়োর রিলেশন। নিলয়ের সাথে ডেইলি তার কিছু না কিছু লেগেই আছে।এমন কোনদিন বাদ যাচ্ছে না যে,তার সাথে নিলয়ের কথা কাটাকাটি হচ্ছে না। নিলয় সাইরাকে তার কেবিনে ডেকে পাঠায়। তখন ঘড়িতে ৩টা বাজছে(বিকাল)। Lunch timচলছে,সাইরা তখন ক্যান্টিনে Lunch করছিল।
পিয়ন এসে তাকে জানায়,
পিয়নঃবস আপনাকে তার কেবিন যেতে বলেছেন।তাড়াতাড়ি চলুন ম্যাম । বস ভীষণ রেগে আছেন। ম্যাম একটু carefully বসের সাথে কথা বলবেন।না জানি আজ কি হতে চলেছে?
সাইরা ভিতরে ভিতরে খুব ভয় পাচ্ছে তবুও সে মুচকি হেসে উনাকে বল,
সাইরাঃটেনশন করবেন না চাচা।সব ঠিক হয়ে যাবে।ভয়ের কিছুই নেই।
উনার সাথে কথা বলা শেষ করে সাইরা নিলয়ের কেবিনে যায়।সে নিলয়ের কেবিনের প্রবেশ করার সাথে সাথে নিলয় তার কেবিনের দরজা lock করে দেয়।নিলয়ের চোখ রাগের লাল হয়ে আছে। সাইরা তার অবস্থা দেখে ভীষণ ভয় পেয়ে যায়।সে ভয়েকাপতে শুরু করে তার অবস্থা দেখে নিলয় তার চারপাশে হাটে বলে,
নিলয়ঃকি হল সাইরা?
এভাবে কাপছ কেন?তোমাকে যে এই behaviour একদম মানায় না baby. Baby তোমাকে খুব ভাল মেয়ে ভেবেছিলাম আমি এতদিন ধরে।আর সেই তুমি কি করলে?বল কেন এমন করেছ আমার সাথে?
সাইরা:কি করছি আমি?(কাপাকাপা কন্ঠে)

নিলয়ঃকি তুমি তা আমাকে ask করছ?Oh really তুমি দেখছি খুব innocent. কিছু বুঝতে না তো, তাহলে তোমাকে বুঝাতে হচ্ছে কি করছে তুমি তুমি আমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতার করেছ মিস সাইরা।তুমি আমার শএুদের সাথে হাত মিলিয়ে আমার ক্ষতি করতে চাইলে😠😠কেন করলে এমনটা আমার সাথে? উওর দাও সাইরা। সে হাটা থামিয়ে সাইরার হাত শক্ত করে চেপে ধরে।
সাইরাঃAh, আমার হাত ছাড়ুন বস।আমার লাগছে বস প্লিজ ছাড়ুন।কি করে আপনি ভাবতে পারলেন আমি আপনার ক্ষতি করব?কিভাবে ভাবলেন বস?
নিলয়ঃএসব নাটক বন্ধ কর। তুমি যে,ধরা পড়ে গেছ baby।তুমি কি ভেবে ছিলে যে, এই innocent face করবে আমার সামনে। আর আমি ভাব আমি তোমাকে মিথ্যে সন্দেহ করছ।তাই তো হবে না সাইরা(রাগান্বিত হয়ে)তারপর সে সাইরার হাত ছেড়ে দেয় নিলয় দেখছে সাইরার হাত লাল হয়েছে গেছে।এটা আমি কিভাবে করছি? না আমি সেটা করেছি একদম ঠিক করছি
এটাই ওর শাস্তি। আর ও এটাই deserve করে। ওর চোখে আমার অপরাধী that all.ওর জন্য আমার মনে কোন স্থান নেই।

সাইরাঃআমি কিছু করি নি, বস। Believe me।
সাইরার চোখ থেকে পানি পড়ছে।সাইরা চোখের পানি মোছ, এভাবে যুদ্ধে জিতা যায় না।Prove ur self, u are innocent. তার ভিতর থেকে একটা আওয়াজ আসে।সে নিজের চোখে মুছে নিলয়কে বলে,
সাইরাঃওহ আচ্ছা আমি আপনাদের চোখে একজন অপরাধী তাইতো? prove it boss.আর আইনের ভাষায় যদি বলি তবে আইন তো কোন prove ছাড়া কাউকে criminal ভাবতে পারে না। প্রমাণ করুন বস যে, আমি একজন criminal😠😠। আপনিও এখানে আমিও এখানে।কেউ কোথাও যাচ্ছে না।
নিলয় তার ডেক্স থেকে ল্যাপটপ নিয়ে এসে সাইরাকে সামনে ধরে তারপর সাইরাকে বলে,
নিলয়ঃতোমার কি মনে হয় baby,আমি প্রমাণ ছাড়াই এসেছি? Look at this. সাইরা সেদিনের CCTV এর footage দেখতে পারছ?
নিলয়ের কেবিনে সেদিন কি কি ঘটেছিল সবকিছুর records আছে এখানে। হঠাত সাইরা চমকে উঠে CCTV footage এর থাকা মেয়েটিকে দেখে। নিজের চোখকে তার বিশ্বাস হচ্ছে না যে, নিজের মত কাউকে দেখছে সে।এটা কি আমি কিভাবে সম্ভব!আমি কি ভুল দেখছে?এই মেয়েটা তো আমার মত দেখতে।কিন্ত আমি তো এই সময় অফিসে ছিলাম না। তবে এখানে কিভাবে আমাকে দেখা যাচ্ছে?সাইরার মাথায় কিছুই আসছে না।এসব কি হয়ে তার সাথে। ভেবে ভেবে সে অস্হির হয়ে যাচ্ছে।
নিলয়ঃকি হল baby,মুখে কোন কথা নেই কেন?প্রমাণ চেয়েছিলে না তুমি? এইতো প্রমান রয়েছে তোমার সামনে।এখন কি বলবে?
সাইরার ইঠাত মেয়েটির হাতের দিকে তার চোখ যায়। সে মনে মনে আল্লাহকে ধন্যবাদ জানায়। সে হেসে বলে,
সাইরাঃcrime কখনই perfect হয় না।যে করেছে সে হয়তো আমাকে ভালভাবে লক্ষ্য করে নি।
নিলয়ঃwhat?what do u mean?
সাইরাঃবস মেয়েটিকে দেখুন ভালভাবে। সে হাইহিল পড়েছে। আমাকে কি কখনই পড়তে দেখেছেন ?
নিলয়ঃতাতে কি প্রমাণ হয় সাইরা?
দীর্ঘ একটা নিঃশ্বাস নিয়ে সাইরা বলে,
সাইরাঃআমার পক্ষে কখনও হাইহিল পড়া সম্ভব নয়,আর আমি চাইলেও পারব না পড়তে। কেননা আমার প্রব্লেম আছে আর যেটা আমি আপনার সাথে শেয়ার করতে চাচ্ছি না এই সময়।আমার 2nd points and last point হচ্ছে তার হাতের দিকে ভালভাবে তাকান, এবার আমার হাতের দিকে তাকান বস। কি দেখছেন আমার হাত?সাইরার বাম হাতে একটি কাটাদাগ আছে। যা cctv এতে
footage এ যাকে দেখ যাচ্ছে তার হাতে নেই ।
এসব হয়েছে আমার বোকামির জন্য। আমার বোকামির জন্য দুজন মানুষকে এভাবে অকালে পৃথিবী থেকে চলে যেতে হয়েছে।আমি খুনি। আমি খুন করেছি তাদেরকে।সেদিনের accident এ আমার হাতে এবং পায়ে আঘাত লেগেছিল।বামে আঘাতটা মারাত্মক ছিল।ডাক্তার আমাকে পায়ে চাপ পড়বে এমন কোন কাজ করতে না করেছেন।হাইহিল পড়া নিষেধ। এইদিনটা আমি আজও ভুলতে পারি নি বস। বস আপনার সামনে যে দাড়িয়ে আছে সে আসলে একজন খুনী।আপনি সব জানার পর হয়তো আরোও বেশী ঘৃণা করবেন আমায়।হ্যা আমি এটারই যোগ্য বস(মনে মনে সাইরা বলছে)।
মেয়েটি সব সময় stupidity করলেও Emergencyতে শান্ত থেকে কিভাবে পরিস্থিতি handle করতে হয় সে ভালভাবেই জানে।বলতেই হবে মেয়েটির IQ খুবই ভাল।নিলয় মনে মনে এসব বলেছে।
সাইরাঃBoss i hope এই প্রমাণগুলোই যথেষ্ট আমায় innocent prove করতে ।এর পিছনে কে বা কারা রয়েছেন, তাদেরকে খুজে বের করা আপনার দায়িত্ব।
আমি আসছি বস। বলে সাইরা নিলয়ের কেবিন থেকে বেরিয়ে যায়

লিখেছেনঃ দিলরুবা হাসান পামি