অনুরণন

লাভ স্টোরি (পর্ব ৩)

সাইরা বাসা ফিরে তার রুমে যায়।রুমে সে তার বিছানাকে ছড়িয়ে ধরে বলে,
সাইরাঃi missed u so much.আমি তোমাকে আর এভাবে জড়িয়ে ধরে রাখতে পারব না আমি কখনও।সে যেন তার lover কে বলছে।আসলে তার কাছে তার bed তার lover চেয়েও অনেক বেশি মূল্যবান।যদিও তার কোনদিন কোন lover
ছিল না।ছিল না বলে ভুল হবে। Actually তার একজন crush ছিল।তার সাথে সাইরার রিলেশন হয় নি। কারণ ছেলেটার কাছে সাইরার চেয়ে তার career বেশি important ছিল।তার সাথে যখন সাইরার last year দেখা হয়েছিল তখন সে সাইরাকে বলেছিল,
রাইয়ানঃতুমি আমাকে selfish ভাবছো তো?ভাবতেই পার সাইরা।হ্যা আমি মানছি আমি selfish.আমার জন্য তোমার কি feelings তা জানার পরও তোমাকে আমি এসব
বলছি।sorry সাইরা, এই মূহুর্তে আমার কাছে important হচ্ছে আমার career। আর তুমি চাইলে আমরা friends হয়ে থাকতেই পারি।কিন্ত আমাদের relation friend এর চেয়ে বেশি, সেটা এখন সম্ভব নয় সাইরা।
সেদিন সাইরা খুব কেদেছিল বাসায় ফিরে এভাবে নিজের bed টাকে জড়িয়ে ধরে । সাইরার মনে পড়ে যায় সেসব কথা।
ঘড়িতে এখন ৯টা বাজছে।সাইরা তাড়াতাড়ি ready হয়ে অফিসে যায়। যাওয়ার সময় আম্মু সাইরাকে পিছনে থেকে ডেকে বলেছেন,
আম্মুঃসাইরা এভাবে না খেয়ে যেতে নেই মা।কিছু তো একটা খেয়ে যাও।
সাইরাঃআমার এখন হাতে সময় হয় নেই আম্মু।আর হ্যা আম্মু তুমি খেয়ে নিও কিন্তু।না খেয়ে থেকে না।আমার জন্য চিন্তা করা না।আমি অফিসে গিয়ে অফিসের ক্যান্টিন থেকে কিছু একটা খেয়ে নিব। Okay আম্মু।take care , bye আম্মু।
সাইরা অফিসে আসার পর থেকে তার বস তাকে একে পর এক কাজ করিয়েই
যাচ্ছেন। ১মিনিটের জন্যও সে rest নিতে পাচ্ছে না।
ওদিকে অফিসের সবাই সাইরার অবস্থা দেখে বলছে,৪ নাম্বারটাও বাকিদের মত
কিছুদিন পর পালাবে।কেউ কেউ তো বাজিও ধরেছে।বলছে, challenge ১০-১৫ দিনের মধ্যে বসের এই P.A.রিজাইন করবে।১০০০টাকাও বাজি ধরা হল।
সে সময় তাদের কেবিনের পাশে দিয়ে সাইরা যাচ্ছিল।সে সব শুনেও না শোনার
ভ্যান করে ।মনে মনে সে বলে,
সাইরাঃআমাকে তো চিন না।আমি কি জিনিস।এত সহজে হারব, সেটা আমি যে পারি না।সাইরা নাম আমার।Devil টাকে সোজা না করে তো জব ছাড়ব না। Just wait and watch😂😂😂সে এখন devil মত হাসছে।অফিসের সবাই অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে আছে।সাইরা হাসি থামিয়ে নিজের cabine এ ফিরে চেয়ারে বসতে যাবে এমন সময় তার ফোন বেজে উঠে।সে বুঝতে পারে নিলয় তাকে শান্তিতে থাকতে দিবে না।ফোন রিসিভ করার পর নিলয় তাকে বলে,
নিলয়ঃ Miss P.A.আমার জন্য কফি নিজের হাতে বানিয়ে নিয়ে এসো।Hurry up lazy Queen (তাড়াতাড়ি কর অলসতার রানী)।
সাইরা শুনেছে যে, নিলয় চা,কফি কিছু খায় না।তার এসব পছন্দ নয়। তবে আজ
কেন সে খেতে চাচ্ছে?সাইরা বুঝতে পারল যে, আসলে নিলয় তাকে এভাবে torture
করবে। যাতে সাইরা জব ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।তা তো সাইরা হতে দিবে না ।Devil কফি খাবে তো?ঠিক আছে। এমন কফি বানাব আজ। যা জীবনে কেউ কখনও কারোও জন্য বানায় নি।আর এটা খাওয়ার পর এর test এই জীবনে ভুলতে পারবেন না কখনও Mr.Devil Man😂।মনে মনে সাইরা এসব ভাবছে।
তারপর সাইরা কফি বানিয়ে নিলয়ের কেবিন যায়।
সাইরাঃmay i coming boss😏😏
নিলয়ঃYes,.coming.Miss P.A.সারাদিন অনেক কাজ করে এখন তুমি খুব tried, তা না?সারাদিন এত কাজ করার পুরস্কার হিসেবে এই কফিটা তোমার।খাও সাইরা।Oh come on, don’t be shy.আচ্ছা ঠিক আমি তোমাকে খাইয়ে দিচ্ছি, কেমন?
সে চেয়ার থেকে উঠে সাইরার হাত থেকে কফির কাপ নিয়ে একটি চামচের
সাহায্যে কফি তুলে সাইরার মুখের কাছে ধরে নিলয় বলল,
নিলয়ঃ Oh baby open ur mouth.
সাইরাঃhy,u?😠😠
ঠিক তখনই চামচটা সাইরার মুখের ভিতরে।
নিলয়ঃoh baby মুখটা এমন করে রেখেছ কেন?
সাইরা যে, চিনির পরিবর্তনে ইচ্ছে করেই কফিতে লবণ মিক্সড করেছিল।সে কি জানতো যে, নিলয় সব বুঝতে পারবে

লিখেছেনঃ দিলরুবা হাসান পামি