অনুরণন

লাভ স্টোরি (পর্ব ১)

আমি সাইরা হোসেন। ১বছর হল মাস্টার্স শেষ করেছি। জবে জন্য এখন বিভিন্ন কোম্পানিতে interview দিচ্ছি। কোন কোম্পানি experience ছাড়া নিতে চায় না। সবাই বলে,সবাই বলেনঃ সব ঠিক আছে বাট সরি আমরা আপনাকে নিতে পারব না
আমার দোষ একটাই আমার কোন experience নেই।এভাবে তিনমাস কেটে গেল।আমি এখনও বেকার।একের পর এক interview দিতে দিতে আমি খুব ক্লান্ত।
আশেপাশে মানুষগুলো ভাল অবস্থানে চলে গেছে।আমার সাথে যারা পড়েছে তারা সবাই এখন established। আর আমি interview দিয়েই যাচ্ছি । কাজের কাজ কিছুই হল না।মনে খারাপ করে বারান্দায় বসে আছি।ওদিকে আমার cellphoneটা যে বেজেই চলেছে, সেদিকে খেল ছিল না আমার।আম্মু আমার রুমের পাশে দিয়ে যাচ্ছিলেন কি যেন একটটা কাজে। তিনি লক্ষ্য করলেন আমার ফোনটা বাজছে।
আম্মু বললেনঃসাইরা মামুনি কোথায় তুমি? ফোনটা ধর মামুনি।কখন থেকে বেজেই চলেছে।

রুমে এসে ফোনটা রিসিভ করার পর বুঝতে পারলাম যে কোম্পানিতে আমার cv জমা দিয়েছিলাম কিছুদিন আগে।আজ তারা আমাকে interview এর জন্য call দিয়েছেন। এতবার rejected হওয়ার পর আবার interview দিতে কার ভাল লাগবে? আপনারাই বলুন।জানি এই জবটাও হবে না।তবুও কেন জানি মনে হচ্ছে আমাকে যেতেই হবে।না হলে অনেক বড় সুযোগ হাত ছাড়া হয়ে যাবে।সকাল ১০টা interview। ১ঘন্টা আগেই বাসা থেকে বের হয়েছি।রাস্তায় আজকাল যে traffic jam Uff. যাক বাবা আজ taffic jam ছিল না বলে ৯ঃ২০সে অফিসে পৌছাতে পেরেছি।সেখানে যাওয়ার পর আমাকে বলা হল wait করতে। কেননা interview যারা নিবেন তারা এখনও এসে পৌছাতে পারেন নি। রাস্তায় আটকে পড়ছেন।রাস্তায় নাকি এখন ভীষণ jam.আর তাছাড়া আমি ছাড়া কোন candidateও আসে নি। কি করব বুঝতে পারছি না। এদিকে আমি খুব ক্ষুধা লেগেছে। কি করব ভাবতে ভাবতে ইঠাত মনে পড়লে গেলে অফিসে ক্যান্টিনের কথা। একজনকে জিজ্ঞাসা করায় উনী আমাকে ক্যান্টিন কোনদিকে সেটা দেখিয়ে দিলেন। আমি ক্যান্টনে গিয়ে বসি। দেখতে পাচ্ছি অফিসের staffsও রয়েছেন এখানে।তারা কেউ চা খাচ্ছেন, কেউ কফি, কেউ আবার আমার মত breakfast করে আসেন নি বলে breakfast করে নিচ্ছেন।অফিসের পরিবেশ খুবই শান্ত। আমার কেন যেন feel হচ্ছে আমি ভুলবশত কোন আর্মির ক্যাম্পে চলে আসছি।। আমার পাশের টেবিলে তিনজন বসে আছেন। তারা একে অপরের সাথে কথা বলছেন।তাদের খুব কাছাকাছি বসে আছি তাই তাদের কথাগুলো আমি খুব clearly শুনতে পারছি।
আকাশঃআমাদের বসটা একটা Angry Man। এত রাগি মানুষ হয়?এত Discipline কে Maintain করে?এর আগে ৩জন P.A. job ছেড়েছে। তার torture tolerant(নির্যাতন সহ্য)করতে না পেরে।
রিয়াঃএখন তো আবার P.A. জন্য interview নিচ্ছে।৪নাম্বারের ভাগ্যে কি লেখা আছে কে তা জানে?বেচারী।
আদিবঃবাদ দাও এসব। বসের আসার সময় হয়েছে কিন্তু। তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করে চল যার যার ডেক্সে ।বস যদি এসে দেখে যে আমরা আমাদের কাজ বাদ দিয়ে এখানে বসে আড্ডা দিচ্ছি তবে সবগুলোকে চিরদিনের জন্য ছুটিতে পাঠাবেন।
এমন কি করেছেন তাদের বস তাদের সাথে যে বেচারীরা job ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল?আমার সাথে এমন হলে না মজা বুঝতাম। devil man মনে মনে বলছে সাইরা।
কিছুক্ষণ পর interview শুরু হল।একে একে সবাই interview দিয়ে বের হয়ে আসছে।সবার মুখের অবস্থা দেখে সাইরার মন হচ্ছে যে, আর্মির ক্যাম্পে ক্যাডারদের training চলছে।Training চলাকালীন সময় ক্যাডারদের যে অবস্হা হয়।আজ interview দিতে আসা সব candidates এরও একই অবস্হা। last এ আমাকে ডাকা হল।আমি ভিতরে প্রবেশ করি। আমাকে কেউ বসতে বলেন না।দাড়ানো অবস্থায় একে একে সবাই প্রশ্ন করা শুরু করলেন। Interview খুব একটা সহজ হল না।খুব ত্যাড়াবাকা প্রশ্ন করছেন সবাই।আমিও ছাড়ার পাএী নই, আমিও সেরকম answer দিচ্ছিInterview যারা নিচ্ছেন উনারা সবাই এখন চুপ করে রয়েছেন। একজন আমাকে লক্ষ্য করে বললেন,
উনী বলছেনঃতুমি এই Attitude নিয়ে আসছো, আমার কোম্পানিতে জব interview দিতে?
আমার বুঝতে আর বাকি নেই যে এই সেই Devil man।
আমি(সাইরা)ঃদেখুন স্যার আমি মানুষ হিসেবে কেমন? সেটা বড় কথা নয়,আমি আপনার বেতন দেওয়া কর্মচারী। so আমার কাজ কেমন সেটা আপনি দেখবেন।আমার personality নয়।
এবার তিনি চেয়ার থেকে উঠে দাড়ালেন।তাকে দেখে মনে হচ্ছে পারলে তিনি আমাকে খুন করে ফেলবেন এই মূহুর্তে ।তিনি রেগে বললেন,
বসঃ কে তোমাকে আমার কোম্পানিতে জব দিয়েছে?কেউ কি দিয়েছে? মিস সাইরা। আর এতবড় সাহস কি করে হয় তোমার, আমার সাথে এভাবে তর্ক করার।আমার সাথে এভাবে কথা বলার সাহস কোথায় থেকে আসছে তোমার?আমার সাথে তর্ক করা তো দূরের কথা আজ পযর্ন্ত কেউ আমার সাথে কথা বলার সাহস পায় নি। আর আজ তুমি সামান্য একটা মেয়ে যে কি না আমার মত এতবড় বিজনেসম্যানকে এভাবে অপমান করছ?how dare u?তুমি কি জান আমি চাইলে এই মূহুর্তে তোমার সাথে কি করতে পারি?
সাইরা যেন ভেবেই নিয়েছে যে তার এই জবটা হবে না। কেননা তার এই attitude দেখার পর এই জব না হওয়াটাই স্বাভাবিক ।কিন্তু এই devil manকে যে সে শিখা দিয়েই ছাড়বে।যা আগে কেউ করতে পারে নি।Devil এর মত একটা হাসি দিয়ে বলে,
“সাইরাঃবস আপনি হচ্ছেন এই শহরের বড় বিজনেসম্যানদের মধ্যে অন্যতম একজন। আপনার সাথে আমি তর্ক করতে পারি? আর অপমান? ছি!ছি কি বলেন বস আপনাকে আমি আপমান?how🤔🤔 impossible boss.সামান্য একটা মেয়ে আমি।
বসঃদেখ little girl.
সাইরাঃme😮😮 তাও আবার little girl? আহারে বেচারার মাথাটা পুরো গেছে।
সাইরা মনে মনে ভাবছে এটা।তার এটা ভেবেই খুব হাসি পাচ্ছে। কিন্তু অনেক কস্টে সে তার হাসিকে control করছে।
বসঃনিজেকে খুব smart আর intelligent ভাবছো তো? Good, very good। তুমি এখন আসতে পার।আমার অনেক কাজ আছে।তোমার সাথে কথা বলে অযথা সময় নষ্ট করতে চাই না আর। সাইরা মুচকি হেসে বলেন,
সাইরাঃyes boss,bye boss
এই বলে সে বের হয়ে যায় কেবিন থেকে।
নিলয় খুবই অবাক হচ্ছে এই ভেবে যে জীবনে সে এই প্রথম এমন একজনকে দেখেছে। যে তাকে ভয় পায় না।হ্যা নিলয় হচ্ছে সাইরার সেই devil man”সাইরাঃবস আপনি হচ্ছেন এই শহরের বড় বিজনেসম্যানদের মধ্যে অন্যতম একজন। আপনার সাথে আমি তর্ক করতে পারি? আর অপমান? ছি!ছি কি বলেন বস আপনাকে আমি আপমান?how impossible boss.সামান্য একটা মেয়ে আমি।
বসঃদেখ little girl.
সাইরাঃme তাও আবার little girl? আহারে বেচারার মাথাটা পুরো গেছে।
সাইরা মনে মনে ভাবছে এটা।তার এটা ভেবেই খুব হাসি পাচ্ছে। কিন্তু অনেক কস্টে সে তার হাসিকে control করছে।
বসঃনিজেকে খুব smart আর intelligent ভাবছো তো? Good, very good। তুমি এখন আসতে পার।আমার অনেক কাজ আছে।তোমার সাথে কথা বলে অযথা সময় নষ্ট করতে চাই না আর। সাইরা মুচকি হেসে বলেন,
সাইরাঃyes boss,bye boss
এই বলে সে বের হয়ে যায় কেবিন থেকে।
নিলয় খুবই অবাক হচ্ছে এই ভেবে যে জীবনে সে এই প্রথম এমন একজনকে দেখেছে। যে তাকে ভয় পায় না।হ্যা নিলয় হচ্ছে সাইরার সেই devil man ।

লিখেছেনঃ দিলরুবা হাসান পামি