মুক্তধারা

সামাজিক ট্যাবু: ট্যাটু হিসেবে গায়ে লাগাচ্ছি কেন?

নূসরাত জাহান: “লোকে কী ভাববে”, এই ভাবতে ভাবতে জীবনটা শেষহবে, তাই চাই কি? অনেকেই মনে মনে হয়তো বলছেন, কখনই চাইনা।তাহলে এতগুলো বছর অন্ধকার এরমধ্যে আছি কেন? “লোকে কী ভাববে”, তাই ভেবে?

সমাজ অনেক অনিয়মকে নিয়ম করে দিয়েছে। যেন মানতে বাধ্য!আমি বলি কেন বাধ্য?- না,বাধ্য নই। আমি যদি বুঝে থাকি আমি অন্যায় করছিনা, তাহলে আমি সামাজিক গণ্ডিরমধ্যে থাকতে বাধ্য নই।একটু ট্যাবুগুলোর দিকে তাকাই?

বিয়েটা করতেই হবে!! আমি বলি ভুল মানুষের সাথে এক ছাদে থাকার থেকে একা থাকা ভালো।আবার একা থাকার থেকে ভালো মানুষের সাথে জীবন কাটানো হয়তো ভালো। তাও যদি কেউ একা থাকার মত কঠিন সিদ্ধিন্ত নিয়ে থাকেন; কেন এমন সিদ্ধান্ত নিল, এ কেমনকথা, এগুলো না বলে মানুষটাকে সাহসদেই ? তার জীবন, তাকে বুঝতে দেন, বিপদে পড়লে কিন্তু আপনার টিকি টাও দেখা যাবে না জনাব।

সমাজ এখনো মানতে পারেনা, একজন মা স্বাবলম্বী হবেন। “মা তো, সন্তান বড় করবেন”।মা এর ইচ্ছা নেই? উনি যদি work life balance করতে পারেন তো জনাব সাধুবাদ জানান। আর সন্তান বড় করার দায়িত্ব মা, বাবা দুইজন এর।এইদিকটায় বাবাদের খুব সহজে ছাড় দেয়া হয়। কেন, তা বিজ্ঞ সমাজ জানে।কারো কারো তো মাথাব্যথায় ঘুম হারাম।রীতিমতresearch, parenthood delayed হচ্ছে কারন মেয়েরা career এর দিকে ঝুকছে।আপনার জন্য রইল itch guard cream. Daily নিয়ম করে দুই বেলা কিন্তু !

মেয়ে, বড়হয়েছে, চাকরি করছে, কিন্তু বিয়ের নাম মুখে আনছেনা।এটা নিয়ে মেয়ে qualified, আপনি কন্যাদায়গ্রস্ত পিতারমনঃ কষ্টকমাতে less qualified ছেলে এনে বললেন, মেয়েতো আইবুড়ো ,আর আপনার যা সহায় সম্পদ আছে, তাতো মেয়ের ভবিষ্যতের জন্যই (মেয়েকে তো বিয়েতে আদর করে বাবা উপহার দিতেই পারেন)। আপনার জন্যও জনাব itch guard cream.

Rape victim দের আপনি কাছ থেকে দেখেছেন? দেখতে পারেন, মন্তব্যও করতে পারেন “মেয়ে মানুষ এত সাহস দেখালে তো এমন হবেই”।সাধুসাধু(!!)জন্মাবার পর মধুর বদলে করলরার juice মুখে দিয়ে ছিলেন বোধহয়।এমনিতেই মেয়েটা traumatized, তার উপর she was oppressedso many times to prove that she is a victim.এটা কতবার প্রমান দিলে আপনাদের বিশ্বাস হবে? কখনই না।কারন যারা জেনেও মানে না তাদের কী বোঝাবেন।
পরবর্তী পর্বে “কর্ম স্থলে মেয়েদের নিরাপত্তা“ নিয়ে লিখব বলে আশা রাখছি।