মুক্তধারা

হুতুমপেঁচা’র সাথে আনন্দ স্কুলে একদিন

শারমিন আক্তারঃ ছাত্র জীবনে ২৬শে মার্চ মানে শাড়ি পরে বন্ধু-দের ঘুরতে যাওয়া। যখন চাকরীতে ঢুকলাম, তখন ২৬শে মার্চ মানে, আহ! একটা দিন ছুটি, চুটিয়ে দাও ঘুম। সেই প্ল্যান-ই ছিল এইবারের ২৬শে মার্চের ছুটির। কিন্তু বন্ধু অতনু আর তার হুতুমপেঁচা দলের কারণে সে আশায় গুড়েবালি। যাব না, যাব না চিন্তা করেও অবশেষে রেডি হয়ে চলে গেলাম আরবান্ স্লাম আনন্দ স্কুলে হুতুমপেঁচা দলের সাথে মিলিত হতে। আমি ধন্যবাদ জানাই নিজের গুড সেন্স-কে এই যাওয়ার ডিসিশন নেওয়ার জন্যে। এটা ছিল এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।

বাচ্চাদের গল্পের বই পড়ে শোনানোর সময় আমি (মৌরি)

পড়ারবই-তো সবাই দেয়। কিন্তু বাচ্চাদের পড়ারবই-এর বাইরের দুনিয়ার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার হুতুমপেঁচার এই প্রয়াস সত্যিই অনেক ভালো লেগেছে। ভালো লেগেছে তাদের বাচ্চাদের সাথে কথোপকথনের ধরণ। তবে সবথেকে ভালো লেগেছে বাচ্চাদের স্পর্শ সম্পর্কে অবহিত করা। কোনটা ভালো স্পর্শ, কোনটা খারাপ স্পর্শ। কে, কোথায় স্পর্শ করতে পারবে, কি পারবে না, অবাঞ্ছিত স্পর্শের ক্ষেত্রে বাচ্চারা কি করতে পারে, কার কাছে সাহায্য চাইতে পারে। এইসব জ্ঞান, আমি জানি আমাদের মতো নামীদামী স্কুলে পড়া ছেলেমেয়েরাও পায় না, পাই নি।

স্বল্পপরিসরে হুতুমপেঁচার এই ইউনিক প্রয়াস সত্যি অনেক ভালো লেগেছে। ধন্যবাদ জানাই হুতুমপেঁচাকে আমাকে ইনিভাইট করার জন্যে, আমাকে তাদের সাথে এই কর্মে যুক্ত করার জন্যে।