সেলুলয়েডের গল্প

কিংবদন্তী হুয়ায়ুন ফরীদি

কিংবদন্তী হুমায়ুন কামরুল ইসলাম ফরীদি (হুমায়ুন ফরীদি) ২৯ মে ১৯৫২–১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২

আমাদের অভিনয় জগতের সবচে বর্নাঢ্য মানুষ৷ বাংলাদেশের অবিসংবাদিত অভিনেতা তিনি। মঞ্চ, টিভি আর চলচ্চিত্রে এরকম ভার্সেটাইল অভিনেতা একটিও নেই। কী অসাধারণ ক্ষমতা নিয়ে এসেছিলেন ফরীদি।

বিটিভির সাদাকালো যুগের সবচে অসাধারন, সবচে শক্তিমান এই বর্নিল অভিনেতা। বিটিভির ৮০’র দশকের দর্শক যারা, তারা সবচে বেশী সৌভাগ্যবান এই অসামান্য গুনী অভিনেতার অভিনয় দেখতে পেরেছে বলে।

তিনি মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, সনদের প্রয়োজন অনুভব করেননি। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য ছিলোনা জীবনভর। তাঁর কাছে এ যেন ছিলো, দায়িত্ব পালন শেষে নিজের ঘরে ফেরার মতো বিষয়।

জীবনকে যাপন করেছেন আপনি, আপনাকে যাপন করার সুযোগ দেননি৷ প্রবলভাবে বেঁচে ছিলেন আমৃত্যু৷ আপনার বেঁচে থাকা ছিলো গোপনে, গহিনে আশাবাদী মানুষের মতো৷

প্রতিনিয়ত যন্ত্রণাক্লিষ্ট মানুষ অন্য মানুষকে ভুলে যেতে পারে, পাখিরা পারে না, গাছরা পারে না। তাই তো বন উজাড়ে বাসা বানাতে না পারা পাখিরা এখনও মানুষকে গান শোনায়, ধ্বংসের শেষ প্রান্তে এসেও গাছরা ফুল ফোটায়-ভালোবাসায়, নিঃস্বার্থে, আনন্দ বারতায়!

শ্রদ্ধেয় ফরীদি ভাই, যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন-শান্তিতে থাকুন ৷ বড়ো ভালোমানুষ ছিলেন আপনি।

তথ্যসূত্রঃ ফেইসবুক