রঙ বাক্স

লাইফ স্টাইল | সুস্থ থাকুক চোখ

প্রতিদিনের ব্যস্ততায় আমরা যে জিনিষটার খেয়াল একদমই রাখতে পারেনা সেটা হচ্ছে নিজেকে। আর এই নিজেকে খেয়াল রাখার আয়োজনে আজকে আমাদের লাইফস্টাইল ফিচারে আছে, চোখের যত্ন।

* চোখের উজ্জ্বলতা বাড়ানোর জন্য ভিটামিন এ, সি এবং ই অম্লক্ষার বিশিষ্ট ফল, সবুজ শাক ও দুধ খাওয়ার চেষ্টা করুন।

* দীপ্তিময় চোখ পেতে সারা দিনে কয়েকবার ঠাণ্ডা পানি দিয়ে চোখ ধুয়ে নেবেন।

* চোখের কালো দাগ দূর করতে শসা গোল করা কাটা টুকরা চোখের ওপর দিয়ে দিনে ১০ মিনিট বিশ্রাম নিন।

* চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে শসা পাশাপাশি আলুর গোল করা কাটা টুকরা চোখের ওপর দিতে পারেন।

* ক্লান্ত চোখকে আরাম দিতে মোটা তুলার প্যাড ঠাণ্ডা দুধে ভিজিয়ে বন্ধ চোখের ওপর ১০ মিনিট রাখুন এবং নিজেকে পূর্ণভাবে শিথিল করুন।

* যদি আপনার চোখ কাঁপে অথবা লাল হয়ে ওঠে এবং চুলকানি অনুভব করেন তাহলে মাথার চামড়া দই দিয়ে ম্যাসেজ করুন।

* ফোলা চোখের জন্য খোসাসহ আলু কুচিয়ে বন্ধ চোখের পাতার ওপর ২০ মিনিট ব্যবহার করুন এবং বিশ্রাম নিন। চাইলে একটা হালকা ঘুমও দিতে পারেন।

* রাতে ঘুমানোর আগে মুখ ধুয়ে নিন এবং নিশ্চিত হন যে মুখে আর কোনো মেকাপ নেই। কারণ মেকাপের ক্রিম আপনার ত্বক নষ্ট করে দিতে পারে যদি সেটা সারা রাত আপনার মুখে থাকে। ভালো হয় যদি রাতে কোনো ক্রিম ব্যবহার না করেন। আর যদি করতে চান তবে শুধু রাতের ব্যবহারযোগ্য ক্রিম ব্যবহার করুন, অন্য কোনো ক্রিম নয়।

* কাজে যাওয়ার আগে ব্যবহার করা চায়ের ব্যাগ ফ্রিজে রেখে দিন। বাসায় ফিরে কিছু সময়ের জন্য এটা চোখের ওপর রাখুন। এটা শুধু চোখকে শিথিলই করে না বরং চোখের ফোলা ভাবও কমায়।

* প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। এটা চোখের ফুলা ভাব কমাতে সাহায্য করে।

* চোখে কাজল, আই-লাইনার বা মাশকারা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভালো ব্র্যান্ড ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

* ধুলাবালি, কড়া রোদ থেকে রক্ষা পেতে ভালো ব্র্যান্ডের সানগ্লাস ব্যবহার করুন। আর যারা চশমা পরেন তাদের জন্য ফটোক্রোমেটিক লেন্স ব্যবহার করা আরামদায়ক।

* চোখকে শিথিল করার জন্য এক টুকরা কাপড় উষ্ণ গরম পানিতে ভিজিয়ে, তারপর নিংড়িয়ে চোখের ওপর রাখুন।

* যারা কনটাক্ট লেন্স ব্যবহার করেন তারা লক্ষ রাখবেন, দিনে ১০-১২ ঘণ্টার ওপরে লেন্স ব্যবহার করা উচিত নয়।

* ঘুমানোর সময় যারা বই পড়েন তারা লক্ষ রাখুন, তখন যেন বই এবং চোখের মধ্যে দেড় ফুট দূরত্ব থাকে।

* টিউব লাইটে বই পড়ার চেষ্টা করুন। আর যদি বিদ্যুত্ না থাকে তাহলে মোমবাতির অস্থির আলো থেকে হারিকেনের স্থির আলোয় বই পড়া ভালো।