রঙ বাক্স

রুপচর্চায় অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার

আপেল কে দুবার প্রোসেসিং করে তৈরি করা হয় অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার। প্রাকৃতিক ভাবে তৈরি হওয়া অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ব্যবহার করে,আমরা প্রতিদিন আস্তে আস্তে কমিয়ে আনতে পারি ঘরে, রান্নায় এবং রূপচর্চায় কেমিকেলের ব্যবহার।

রূপচর্চায়ঃ

১)চুলে শ্যাম্পু দেয়ার পর আমরা অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার ব্যবহার করতে পারি। একটা স্প্রে বোতলে অথবা কোন বোতলে ৩ চামচ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার এবং এক কাপ পানি মিশিয়ে রেখে দিবেন। শ্যাম্পু করার পর স্প্রে করবেন পুরো চুলে। (চাইলে কন্ডিশন-ও করতে পারেন)।

২)অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার টোনার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। রাতে ঘুমানোর আগে মুখ পরিষ্কার করে টোনারের মত করে তুলো দিয়ে অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার লাগাবেন,তারপর ক্রিম লাগাবেন। এতে করে ত্বকের দাগ চলে যাবে এবং মুখের ব্রণ কমবে।

৩)দাঁতের হলদেটে ভাব দূর করে।

৪)এক কাপ অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার গোসলের ১০ মিনিট আগে সারা শরীরে মেখে রাখবেন। এতে করে রোদে পোড়া ভাব দূর হবে। তাছাড়া গোসলের পানিতে দিয়েও ব্যবহার করতে পারেন। মন প্রফুল্লও হবে,রোদে পোড়া দাগ-ও কমবে।

৫) হাত,পায়ে মাসাজ করলে দেহের ক্লান্তি দূর হয়।

৬)ছেলেরা অ্যাপেল সাইডার ভিনেগার আফটার শেভ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। সমপরিমাণ পানি এবং এই ভিনেগার নিয়ে বোতলে ভরে রাখুন। শেভ করার পর দিন।

৭)প্রতিদিন ত্বকে ব্যবহার করলে ত্বকে কোন মরা কোষ থাকে না, ত্বক উজ্জ্বল হয়, বলিরেখা দূর করে, স্কিন এর PH এর সমতা রক্ষা করে,লোমকূপ ছোট করে,মুখে ব্যাকটেরিয়ার প্রকোপ কমে যায়।

৮)মুখের নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ দূর করতে সামান্য পানির সাথে মিশিয়ে গার্গেল করুন।

৯)পেডিকিউর করতে পানির মধ্যে এই ভিনেগার মিশিয়ে করতে পারুন। এতে করে পা পরিষ্কার হবে ভালো করে,পায়ের ত্বক উজ্জ্বল হবে,পায়ের দুর্গন্ধ দূর হবে।

দেহের জন্যঃ

(১)প্রতিদিন ২ চামচ করে খেলে ওজন কমে। এর প্রধান উপাদান হল অ্যাসিটিক অ্যাসিড, যেটা ওজন কমাতে সহায়তা করে। একটি জরিপে দেখা গিয়েছে একাধারে ১২ সপ্তাহ অ্যাসিটিক অ্যাসিড ওজনের সাথে তলপেটের ফ্যাট কমায়।

(২)পুরো দেহের Ph এর সমতা রক্ষা করতে সহায়তা করে। যার শরীরে Ph এর মাত্রা কম তার খুব তাড়াতাড়ি যে কোনো রোগ এর সংক্রামক ঘটতে পারে এবং দেহে শক্তি অনেক কম থাকে।

(৩)এই ভিনেগার শরীরের লিভার ভালো রাখে,অ্যালার্জি প্রতিরোধ করে।

লিখেছেনঃ ফারহানা রহমান