রঙ বাক্স

চুলের যত্নে হরিতকী পাওডার এর ৫টি ব্যবহার

হরিতকী একটি তেতো গন্ধ বিশিষ্ট ঔষধি। হরিতকী পাওডার এতে রয়েছে প্যানিন,এমাইনো এসিড,ফ্রুক্টোজ সার্ক্মিনিক এসিড,বিটা সাইস্ট্রোটেরল। আয়ুর্বেদ চিকিৎসকের মতে হরিতকী সর্ব রোগের ওষুধ। চুল গজানোর জন্য প্রাকৃতিক কোন ভেষজ উপাদানের খোঁজ করতে হবে হরিতকীর নাম সবার আগে আসে। হরিতকীর নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে।

আসুন জেনে নেওয়া যাক চুলের যত্নে হরিতকী পাওডারের ৫টি প্রধান ব্যবহারঃ

(১) চুলের উজ্জ্বলতা বৃধি করে
(২) প্রচুর ট্যানিন থাকায় চুলের স্বাভাবিক রঙ ধরে রাখে, চুলের প্রাকৃতিক কলপ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
(৩) চুল গজানোতে এক মাত্র প্রাকৃতিক ঔষধ
(৪) চুলের শ্যাম্পু হিসাবেও কাজ করে
(৫) চুল পড়া কমায়

ব্যবহার বিধিঃ

হরিতকী পাওডার সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে পরেরদিন মাথায় প্যাকটি ব্যবহার করতে পারেন।

হরিতকী পাওডার নারিকেল তেলে ভিজিয়ে রেখেও সেই তেল নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন এতে করে চুল পড়া কমবে।

হরিতকী পাওডার টকদই,ডিম এর সাথে মিশিয়ে মাথায় ব্যবহার করতে পারেন।

হরতকি পাওডার,শিকাকাই পাওডার,মেথি পাওডার, আমলকী এবং মেহেন্দি পাওডার একসাথে চায়ের লিকারে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে তাঁর সাথে একটি ডিম অথবা ৩ চামচ টকদই মিশিয়ে মাথায় দিন এবং ১ ঘন্টা পড়ে স্বাভাবিক পানি দিয়ে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে ১ বার ব্যবহার করলে চুল পড়া কমবে এবং চুল গজাবে।

আমলকী এবং হরিতকী পাওডার সারারাত নারিকেল তেলে ভিজিয়ে রেখে শ্যাম্পু করার আগে চুলের গোড়ায় ১ ঘনটার মত মেখে রাখুন এতে চুল পড়া কমবে এবং চুল মজবুত থাকবে। এই প্যাকটি সপ্তাহে ২ বার ব্যবহার করুন।

এছাড়াও ত্বকের যত্নে হরিতকী ব্যবহার করতে পারেন অত্যন্ত সহজ উপায়ে, সারারাত ১ চা চামচ হরিতকী পাওডার পানিতে ভিজিয়ে রেখে রাতে খেয়ে ফেলুন। তিতে স্বাদ নির্মুলের জন্য সামান্য চিনি ব্যবহার করতে পারেন। নিয়মিত এটি সেবনে আপনার পরিপাকতন্ত্র স্বক্রিয় থাকবে এবং মুখে ব্রনের প্রকোপ কমে যাবে। ত্বক পরিষ্কার এবং উজ্জ্বল থাকবে।

হরিতকী ত্রিফলার অন্যতম একটি উপাদান। গ্রামাঞ্চলে মানুষ সর্বরোগের ওষুধ হিসাবে এই উপাদানটি ব্যবহার করে থাকে। পিত্তজ্বালা থেকে মুক্তির জন্যে ঘিয়ের সাথে তারা হরিতকী সেবন করে থাকে।
সতর্কিকরন এই যে নির্দিষ্ট মাত্রায় হরিতকী না খেলে হজমে সমস্যা হতে পারে।