ইচ্ছেঘুড়ি

দিওয়ান-ই-আম

দিওয়ান-ই-আম বাংলার মুঘল আমলে নির্মিত একটি দোতলা বাসভবন। এই দিওয়ান-ই-আম হাম্মামখানা লালবাগ দুর্গে অবস্থিত। এটির একতলা সাধারণের জন্য, এবং দোতালা মুঘলদের পরিবারের লোক ব্যবহার করে থাকতেন। এছাড়াও এখানে প্রাচোর স্নানাগার বা গোসলখানা সংযুক্ত করা হয়। প্রাচোর স্নানাগার বা গোসলখানাতে গরম পানি ব্যবহারের  জন্য একটি ভূগর্ভস্থ কক্ষ রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলীয় ছদ্মরূপ এই গোসলখানাটি তৈরি করা হয়।

গোসল খানায় পানি সরবারহের জন্য যে ট্যাংক ছিল তা উচ্চতায় ৩৯ মিটার (১৩৬ ‘)। দুটি পানির পথ এবং তাদের সংযোগ একটি প্রধান কেন্দ্রীয় হল পথের প্রতিটি স্তরের উপর বসার স্থান আছে। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহি এই হাম্মামখানা (Bathhouse)  এখন প্রায় ধ্বংসের কাছে।

সাম্প্রতিক কালে (১৯৯৪-২০০৪) খনন কাজ চালিয়ে প্রত্নতাত্ত্বিকরা  হাম্মাম খানায় পোড়ামাটির পাইপ আবিষ্কার করেন। হাম্মামখানা তে  গরম পানি সরবরাহের ব্যবস্থা সেইসাথে শীতল পানি পাওয়া যাবে এমন ব্যবস্থা একই সাথে ছিল। মাটির নিচের একটি বিশেষ স্থান ছিল যেখানে পানি গরম করা হত, ভূগর্ভস্থ  এই কক্ষে প্রমাণ হিসাবে কালো দাগ আবিষ্কার করা হয়। এছাড়া হাম্মামখানা ধারে একটি টয়লেট রুমে ছিল।

এই হাম্মামখানা সুবেদার শায়েস্তা খান নিজেও ব্যবহার করতেন। ইংরেজি  গভর্নরের রিপোর্ট থেকে এটা জানা গেছে যে শায়েস্তা খান ছাড়াও কিছু ইউরোপীয়রাও এই হাম্মামখানা ব্যবহার করেছেন।

তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া

সম্পাদনায়ঃ আনিকা সাবা