রঙ বাক্স

ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন

এখনকার সময়ে ফলে প্রচুর পরিমানে ফরমালিন দেয়া হয়ে থাকে।তাই বলে ফলকে অবহেলা করা যাবেনা।এই জন্য যখন যেই ফলের মৌসুম চলবে,তখন সেই ফল খেতে হবে।আর মৌসুম ছারা যদি কোনো ফল খেতে হয় তাহলে ১৫-২০মি. সিরকা দেয়া পানিতে সেই ফল ভিজিয়ে রেখে তারপর খেতে হবে।

কিশোরী মেয়েদের ফল খাওয়া খুব অত্যাবশক,কারন এই বয়েস এ (১২-১৭) মেয়েদের শরিরে ঋতুস্রাব জনিতো কারনে আয়রন,ভিটামিন( এ টু যেড) এর ঘাটতি দেখা দিতে পারে। অন্যান্য পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি প্রতিদিন খাবার লিস্টিতে যে কনো ধরনের ফল রাখতে হবে।নিয়মিত দুধ- ডিম খেতে হবে।ফল ছারা আমাদের শরিরে আয়রন এর ঘাটতি কমানো দুষ্কর হয়ে পরে। কিশোরী বয়সে যদি নিজের শরির নিয়ে অবহেলা করা হয় তাহলে পরবর্তী সময়ে যখন একজন মেয়ে কিশোরী থেকে যুবতি এবং পরে মাতৃত্তের দিকে আগায়, তখন সেই কিশোরী বয়সের অবহেলা তাকে ভোগায়। এবং ঘটতে পারে কনো অনাকাংক্ষীত ঘটনা।আবার বয়স বারার সাথে সাথে ও কিন্তু খাবার পরিমান কমে আসবে।কখন কি খাচ্ছি বুঝে খাওয়া উচিত।

পানি আমাদের শরিরে কতোটা প্রয়োজন ও উপকারি তা আমরা সবাই জানি,তা জানা থাকার পরেও আমরা অনেকেই পানি পান করা থেকে বিরত থাকি এবং দিনের পর দিন এটা নিয়ে হেয়ালি করি।যা মটেও ঠিক নয়। শরিরে পানি শূণ্যতার অভাবে ইউরিন ইনফেশন থেকে শুরু করে কষঠ্য-কাঠিন্য হতে পারে।এ ছারাও আরো অনেক রোগের আবাস স্থল হতে পারে আপনার দেহে এবং দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও কমে যায় অনেক ক্ষানি।
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালিপেটে দু-গ্লাস পানি পান করুন।হয়তো, প্রথম প্রথম অনেকের ই ভালো না ও লাগতে পারে,কিন্তু,যখন এটা আপনার অভ্যাস এ পরিনত হবে তখন আপনি নিজেই এর উপকার দেখতে পাবেন।মোটা হওয়ার সমস্যা ও রোধ করতে পারেন সকালে খালি পেটে শুধুমাএ দু-গ্লাস পানি পান করে।এতে করে শরির-মন দুটোই সতেজ হবে, আর যদি কারো গ্যাস এর সমস্যা থাকে সেটা থেকেও আসান পাবেন এবং মুখের ব্রন হওয়া থেকে ও রক্ষা পাবেন।পানির ওপর নাম জীবন।সারাদিনে যতোবেশী সম্ভব পানি পান করুন ।

ভালো থাকুন ,সুস্থ থাকুন, নিজেকে ভালবাসুন এবং হুতুমপেঁচার সাথেই থাকুন।

লিখেছেনঃ ফারজানা জেনি