মুক্তধারা

রঙ্গীন স্মৃতি

এই কে রে চুরি করে খায়রে
দরজার পেছনে লুকিয়ে,
দাড়া আম্মুকে বলে দিচ্ছি
তুই রোজা ভাঙ্গছিস।
ছোটবেলায় সেই ছোট্টভাইয়ের
রোজায় রোজা ভাঙ্গানোর গল্প।
আজ মনে পড়লে অনেক হাসি পায়।
সেদিনের ভাইয়ের অপরাধীর মত মুখখানা মনে পরে,
সে সময়টা কতইনা মধুর ছিলো।
ইফতারের আগে ছোট্ট ভাই বোন
ইফতারের প্লেট নিয়ে থাকতো রেডী।
কিন্তু ভাইয়ের রোজা থাকার কোনো নামই ছিলো না,
ফাকি দিয়ে শুধু রোজা ভাঙ্গতো,
কিন্তু ইফতারে হাজির থাকতো
রোজাদার ব্যক্তিদের মত করে।
তখন শেষ রাতে উঠতে অনেক অলসতা লাগতো,
মনে হতো কি করে বড়রা উঠতে পারে,
ব্যাপারটা অনেক কঠিন মনে হতো।
তারপরও উঠতাম অনেক কষ্ট করে,
সারাদিন ভাবতাম, ইফতারের পরেই
বড়াই খাবো।
লাল টকটকে টক বড়াই,
এটাই ছিলো আমার তখন অনেক কিছু।
আমাদের বড়াই গাছের বড়াই পেরে
রাখতাম,
ইফতারের পর খাবো বলে।
এসব দিন হারিয়ে গেছে,
সব দিন বদলে গেছে,
সময়ের স্রোতে স্রোতে,
রয়েছে শুধু রঙ্গীন স্মৃতি
আর রঙ্গীন ভালবাসার গল্প।

লিখেছেনঃ জিলফিকা বেগম জুঁই