মুক্তধারা

মিসেস শাহিদা বেগম (পর্ব-২)

“মা” কে শুধু মা দিবসে আর “বাবা” কে শুধু “বাবা” দিবসেই ভালোবাসতে হবে অন্যদিন ভালোবাসা যাবেনা এটা কিন্তু কেউ বলনি, কোথাও লিখাও নাই।”মা -বাবা” কে আপনি ভালোবাসুন সবসময়।এই দিবস গুলা আসলে আদিখ্যেতা নয়।অনেকেই আদিখ্যেতা মনে করেন।তাতে সত্যি আমার কিছু যায় আসেনা। যেই মানুষ দুইটা আমাদের জন্য চিরকাল এতো পরিশ্রম করে,তাদের জন্য বছরে একটা কোনও মাসে , প্রতি সপ্তাহে একটা দিন কি আপনি রাখতে পারেন না?? বাবা-মা কে যতো সময় দিবন তত তারা আপনার কাছাকাছি আসবে,আপনাকে বুঝতে পারবে,ভুল বুঝাবুঝি ও কম-ই হবে।বাবা-মা কে ঠিক মতো সময় না দেয়ার কারনে,অনেক কাছে থাকার পরেও বাবা-মা হয়ে যায় পর। সারাদিন পরে অন্তত রাতের খাবারটা বাবা-মা এর সাথে খান।দেখবেন দুরুত্ব অনেকটা কমে আসছে যারা কখনই বাবা-মা কে তেমন সময় দেন না অথবা দিতে পারেন না এই একটা দিন আমি মনে করি তাদের জন্য,এই দিনে যদি সারাদিন পরেও আপনি একটা গোলাপ বা একটা কেক অথবা আপনার মা ও বাবা যা খেতে পছন্দ করেন এমন কিছু তাকে আপনি দেন,তখন ঠিক ঐ মুহুর্তে আপনার “মা-বাবা”এর চোখে-মুখে যে খুশি এবং আনন্দ আপনি পাবেন। আমার মনে হয় একটা মানুষের বেচেঁ থাকার জন্য এর থেকে বেশী কিছুর প্রয়োজন হয়না।একটা বেবি যখন একজন মা এর কোলে আসে,মা কিন্তু তার সমস্ত দুঃখ ভুলে গিয়ে বেচেঁ থাকে সুধুমাএ তার বেবিটার জন্য।অথচ আমরা বড় হয়ে একটা বারের জন্য বাবা-মা এর কথা ভাবিনা প্রেমিক-প্রেমিকার সাথে ঝগড়া করে মরে যাওয়ার পন করি।বিশ্বাস করেন আপনার বাবা-মা আপনাকে যতই বকুক, মাথার উপর স্থাই ছাদ কিন্তু ঐ একটাই।পৃথিবীর সব চাইতে আপন উনারাই।আপনার কষ্ট উনারাই বেশি কষ্ট পান।হয়তো জানা কথা গুলোই বলছি।আমারা খুব তারাতারি সব ভুলে যাই তাই আবার মনে করিয়ে দিলাম।

লিখেছেনঃ ফারজানা জেনি