ইচ্ছেঘুড়ি

ফুডবুক

ফেইসবুকের ফুডব্যঙ্ক পেইজ থেকে অনেক রিভিউ দেখে গিয়েছিলাম খেতে। আগেই বলে নেই ফুডব্যাঙ্ক হচ্ছে ফেইসবুকের একটি পেইজের নাম যেখানে নানারকম খাবার এবং রেস্টুরেন্ট সম্পর্কে রিভিউ দেয়া হয় । আর ফুডবুক হচ্ছে একটি রেস্টুরেন্ট বা খাবারের দোকান যেখানে আমি রিভিউ দেখে খেতে গিয়েছিলাম। বনানী-১১ নম্বর রাস্তার কথা আমরা সবাই জানি অনেকটা বেইলি রোড খিলগাঁ এর মত খাবারের রেস্তোরা দিয়ে ভর্তি কিন্তু পার্থক্য একটাই এখানে খাবারের দোকানে ভিড় রাস্তায় না। এইবার ফুডবুকের ঠিকানা বলি বনানী -১১ এর শুরুতেই যে কফি ওয়ার্ল্ড আছে তার দোতলা তে এই খাবের দোকান ।বাইরে কোন সাইন বোর্ড নেই তবে সুইট ড্রিমসের সাইনবোর্ড আর শপটা রাস্তা থেকে দেখা যায় । আপনি সিঁড়ি বা লিফটে করে দোতলা উঠলেই পাবেন এই রেস্তোরা। জায়গাটা অনেক ছোট । রেস্তোরার ডিজাইন ফেইসবুকের মত করে করা হয়েছে। আর রেস্তোরার ভেতরে রুপালী জগতের অভিনেতাদের ছবি সহ নেতাদের ছবি দেয়ালে টাঙ্গানো যা আপনার মন ভাল করে দিবে।

এবার আসি খাবারের কথায় , আমি একটা ম্যাক্সিকান বার্গার অর্ডার করি সাথে মিন্ট লেমন ফ্রেশ্নার জুস। বার্গারটা বিশাল সাইজের ছবির মতই আমার বার্গারটা ভালই লেগেছে কিন্তু মনে হয়েছে আরও ভাল হতে পারত (কেন জানি আমার ওএস্টার্ন গ্রিলের বার্গার অনেক ভাল লাগে) ফ্রেশ্নার জুসটাও ভাল । দামের কথা বলতে গেলে খুব একটা বেশিও না আবার খুব কমও না তবে প্রাইজ আরো একটু কম হলে ভাল হত। ম্যাক্সিকান বার্গারের দাম ছিল ৫৬০টাকার মত আর ফ্রেশ্নার এর দাম ১৫০টাকার মত , সঠিক দামটা বলতে পারছিনা বলে দুঃখিত। আমার কাছে খাবার খুব ভাল লেগেছে বলতে পারছি না কিন্তু খারাপ লাগে নাই । তবে রেস্তোরার পরিবেশ অনেক ভাল এবং তাদের ব্যাবহারও অনেক ভাল একবার ঘুরে আসতে পারেন । রেস্তোরার বাইরে ছবি তোলার জন্য ভাল ডেকোরেশন আছে। আর আগেই তো বললাম ভেতরের পরিবেশ বেশ মনোরম। সুতরাং খাবারের মান মোটামটি মাথায় রেখে একবার ঘুরে আসতে পারেন ফুডবুক রেস্তোরা থেকে। অনেক ভিন্ন ধর্মী খাবারের স্বাদ পেতে পারেন । ফুডবুকের পাশেই আছে একটা জাপানিজ রেস্তোরা ইচ্ছে আছে পরেরবার সেখানে হানা দিতে সেই পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকুন।

লিখেছেনঃ আনিকা সাবা